মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

অফিস সম্পর্কিত

সাক্ষরতা মানুষের অধিকার। জাতিসংঘ সাক্ষরতাকে প্রত্যেক ব্যক্তির জন্মগত অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।  বাংলাদেশের সংবিধানে শিক্ষাকে সকল নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।  আর সাক্ষরতা হচ্ছে শিক্ষার একটি প্রক্রিয়া যা নিরক্ষরতা দূরীকরণ ও মানব উন্নয়নে ভহমিকা রাখে। তাই সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা, বিভিন্ন আমর্ত্মজাতিক ফোরামে অংগিকার ও সরকারের রাজনৈতিক অংগিকারের আলোকে দেশকে নিরক্ষরমুক্ত করার  লক্ষে১৯৯৩ সালে সর্বপ্রথম সরকারী ভাবে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষাধারার মাধ্যমে ইনফেপ প্রকল্প চালু করা হয়। এই সময়ে বিসত্মৃত পরিসরে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষাকর্মসূচীতে বেগবান করার লক্ষেতৎকালীন প্রাথমিক গণশিক্ষাবিভাগের অধীনে প্রকল্পের আওতায় ১৯৯৫ সালে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষাঅধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরবর্তীতে সরকার কর্তৃক অধিদপ্তরের পরিবর্তে ১৭ এপ্রিল ২০০৫ সালে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষাব্যুরো  গঠন করা হয়। সম্ভাব্য স্বল্প সময়ের মধ্যে সমগ্র দেশ থেকে নিরক্ষরতা দুরীকরণ এবং  নিরক্ষর জনবল জীবন ধর্মী প্রশিক্ষনের মাধ্যমে মানব সম্পদে রম্নপামত্মর করার লক্ষেগণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ০২ জানুয়ারী ২০০৬ সালে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষানীতি অনুমোদন করেন। বর্তমানে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষাব্যুরোর আওতায় শহরের কর্মজীবি শিশুদের জন্য মৌলিক শিক্ষাপ্রকল্প এবং মানব উন্নয়নের জন্য সাক্ষরতা উত্তর ও  অব্যাহত শিক্ষা প্রকল্প-২ চলমান রয়েছে। আরো কয়েকটি প্রকল্প গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে।

ছবি

up1_1.jpg up1_1.jpg



Share with :

Facebook Twitter